রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

প্রয়াত রাজনীতিবিদ নানাকে নিয়ে দৌহিত্রের আবেগঘন লেখনি

ফেসবুক থেকেঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের গভর্নর, সাবেক কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নির্বাহী সংসদের সদস্য, সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সদ্য প্রয়াত এডঃ জহিরুল ইসলামের নাতী সারজিল বিন শওকত’র আবেগন স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হল।


“আজ ১০ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে আমার নানা সদ্য প্রয়াত এডভোকেট জহিরুল ইসলামকে স্মরণ করে শোক প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখেন সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি তার বক্তব্যে নানার নাম উল্লেখ করে বলেন:
জহিরুল ইসলাম সাহেব কক্সবাজার ষাটের দশকে যখন রাজনীতি একেবারে নিষিদ্ধ ছিল তখন আমরা প্রায় ষাট সালের ডিসেম্বরে আমার বাবা বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান কারাগার থেকে।১৯৫৮সালে মার্সাল ল’য়ের সময় গ্রেফতার হন। তখন রাজনীতি যেহেতু বন্ধ ছিল প্রতিবছরই কক্সবাজার যেতেন আমরা যেতাম এবং তখন তিনি ছাত্র ছিলেন।এরপরবর্তিতে আমি যখন ৮১ সালে এবং তার আগেও আমার মনেহয় ওটা ছিল ৬৮সালে আমি কক্সবাজার গেলাম সেই সময় আমি তখন রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলাম। কিন্তু তিনি তখন একটি প্রশ্ন, আমি বিয়ের পর ৬৮সালে চট্টগ্রাম যায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাই।তখন তিনি আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করেন জাতির যখন কোন প্রয়োজন হবে তখন আপনি আপনার স্ত্রীকে অনুমতি দিবেন কিনা? আমি ঠাট্টা করে বলেছিলাম অনুমতির কি আছে আমিতো বিয়ের দিন থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত আছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আমি ছাত্রলীগ করি এবং ছাত্রলীগের একজন কর্মী এখানে অনুমতির কি আছে। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে আমি আমার দায়িত্ব আছে। তখনতো আমার আব্বা জেলে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারাগারে রেখেছে।তখন কক্সবাজার গিয়েছিলাম নভেম্বর মাসেই বুধই ১৭ ১৮ নভেম্বর হবে ওইসময় জহিরুল ইসলাম সাহেব আমাকে উৎসাহ দিতেন। যদিও পরবর্তীতে তিনি একসময় কামাল হোসেন সাহেবের সাথে চলে যান, কিন্তু গেলেও আমার সাথে ওনার যোগাযোগও ছিল। আমি ওনাকে বলতাম আপনার জন্য আওয়ামী লীগের দরজা সবসময় খোলা। ঠিক মৃত্যুর কিছুদিন আগে আমাকে খুব অসুস্থ ছিলেন নেত্রীকে একটু বলো আমি আওয়ামীলীগ হয়ে মরতে চাই।আমিত ওনাকে কখনো বের করে দেইনি,ওনি নিজেই যান,ওনি আসবেন।ওনি ছিল,ওনি আছেন,ওনি থাকবেন। আমি যেন আওয়ামীলীগের হয়ে একটু জানাযা পাই।এইযে তাদের যে একটা অবদান আমাদের সংগঠনের পেছনে আছে।

আমি পরিবারের সদস্য হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আমি গর্বিত, আমি মরহুম এডভোকেট জহিরুল ইসলামের নাতী। সকলে দোয়া করবেন যেন মহান আল্লাহ তায়ালা আমার নানাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করেন। আমিন।”

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না