রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজার টেকনাফ সড়ক যেন এক অনিশ্চিত যাত্রা পথ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

পণ্য সামগ্রী আমদানি রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অপার সম্ভাবনাময়ী কক্সবাজার টেনাফ সড়ক যেন এখন এক অনিশ্চিত যাত্রাপথে পরিনত। ভারি পন্যবাহি অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারনে অস্তিত্বহীন ৭৯ কিলোমিটার সড়ক নির্মান ও সম্প্রসারনে ঠিকাদার নিয়োগের ৬ মাসেও নুন্যতম কাজ না হওয়ার প্রেক্ষিতে সড়ক দূঘটনায় মৃত্যুর সারি দীঘায়িত হচ্ছে বলে দাবি করছেন উখিয়ার বৃহত্তর সুধী সমাজ ও যাত্রী সাধারন।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানায়, ১০টন ওজনের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের জন্য সড়কটি নির্মান করা হয়েছিল তৎকালীন সময়ে। ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট মিয়ানমারের বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গারা এদেশে আশ্রয় নিলে সুবিধাভোগী এনজিওর সংখ্যা ব্যাঙের ছাতার মত বাড়তে থাকে। এসব এনজিও ব্যবহৃত ভারি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের কারনে সড়কের এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আরকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি, লাইন সম্পাদক মো: শাহজাহান ও জালাল উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ সময় ধরে সড়কের বেহাল দশার কারনে তাদের যানবাহনের মূলবান পার্টস সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে টেকনাফ বন্দর দিয়ে আসা মিয়ানমারের পন্য সামগ্রী ঢাকা চট্টগ্রামের নির্ধারিত স্থানে পৌছাতে মারাত্বক সময়ের অপচয় হলেও তারা সে অনুপাতে পরিবহন ভাড়ার টাকা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ বন্দরে ব্যবসার সাথে স¤পৃক্ত ব্যবসায়ী নাইমুল ইসলাম সিকদার জানায়, দেশের সর্বাপেক্ষা ব্যস্ততম এ সড়কটির পরিনতি এমন অবস্থায় পৌছেছে যে সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করলে মৃত্যু যুকি নিয়ে অনিশ্চিত যাত্রা করতে হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক উখিয়া শাখার সভাপতি নুর মো: সিকদার জানান, তারা ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত একটি সড়ক দূঘটনার জরিপ কাজ সম্পন্ন করেছেন। উক্ত জরিপে ৭৯ জনের মৃত্যুর ও ২৪৫জন যাত্রী পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ আহত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসনিক দূর্বলাতার কারনে ঠিকাদার সুযোগে সৎ ব্যবহার করছে। বর্ষাকালে কাজ করা মানে পুকুর চুরির একটি আলামত। তিনি অবিলম্বে সড়ক মেরামত করে জন চলাচলের সুযোগ সৃষ্টির দাবী জানান।

সরজমিন সড়কের মরিচ্যা থেকে পালংখালী পর্যন্ত ঘুরে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ করা হলে তারা এ প্রতিবেদককে জানান, সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মচারীরা মাজে মধ্যে ইটের টুকরা দিয়ে গর্ত ভরাট করলেও তা যানবাহন বা যাত্রী সাধারনের কোন উপকারে আসছে না। উপরোন্ত ঐসব গর্ত মরন ফাদেঁ পরিনত হচ্ছে। কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, আগামী ৩ মাসের মধ্যে সড়ক নিমৃানর কাজ শেষ করে দেওযার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না