সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

ঘুমধুমে নারী নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়ে সৌদি প্রবাসী আটক

শ.ম.গফুর,উখিয়া::

উখিয়ার লাগোয়া বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে আপত্তিকর অবস্থায় এক নারীসহ বেরসিক পুলিশের হাতে আটক হয়েছে সৌদি প্রবাসী হামিদ হোসেন নামের এক লম্পট।তাকে সোমবার রাত ২ টার দিকে অভিযানে নেমে রাত ৪ টার সময় এক নারীসহ তার নিজস্ব দালান বাড়ি থেকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি অভিযানিক দল।

হামিদ হোসেনের দালান বাড়ি ঘেরাও করে রেখে শত-শত স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় ওই ষোড়শী নারীর মাতা খোরশিদা আক্তারের অভিযোগে তাদেরকে উদ্ধার এবং আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইমন কান্তি চৌধুরী।পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যেক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, ঘুমধুম এলাকার মৃত হাসু মিয়ার ছেলে,সৌদি প্রবাসী ঘুমধুম বেতবুনিয়াস্থ তাঁর নিজস্ব দালান বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী এনে আমোদফূর্তি করে আসছেন।তারই ধারাবাহিকতায় ঘুমধুম জলপাইতলী এলাকার জনৈক নুরুল কবিরের ষোড়শী এক কন্যাকে সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রুমে ঢুকিয়ে নেয়।এঘটনা স্থানীয়রা জেনে বিকেল ৫ টা থেকে ওই দালান বাড়ি ঘিরে রাখে।

সোমবারে সকালে এনজিওর চাকরীতে যাওয়া ওই ষোড়শী মঙ্গলবার রাত ১ টা পর্যন্ত ঘরে না ফেরাই তার মাতা খোরশিদা আক্তার হামিদ হোসেনের দালানে এসে নিজ কন্যাকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ বরাবর উদ্ধারের আকুতি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পুলিশের উপ-পরিদর্শক এনামুল হক ও মিন্টু’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপস্থিত শত-শত জনতার সহযোগিতায় ষোড়শী কন্যাকে উদ্ধার ও প্রবাসী হামিদ হোসেন (৫৫) কে খাটের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে থাকাবস্থায় আটক করা হয়।এঘটনায় ঘুমধুমের সবর্ত্র মুখরোচক আলোচনার ঝড় উঠেছে। ঘুমধুম ইউপির মেম্বার আব্দুল করিম জানান,ওই ষোড়শীকে উদ্ধার এবং নিজের দালান থেকে আপত্তিকর অবস্থায় হামিদ হোসেন কে আটক করেছে পুলিশ।সাথে তিনিও ছিলেন বলে জানান। ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইমন কান্তি চৌধুরী জানিয়েছেন,উদ্ধার করা ষোড়শী এবং আটক হামিদ হোসেন কে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওসি সাহেব এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে প্রবাসী হামিদ একজন পেশাদার নারী লিপ্সু।টাকার জোরে সে বিগত ২০১৩ সাল থেকে বহু নারীর ইজ্জত ভোগ করে আসছে।তার হাতে নিয়মিত দেহ বিলিয়ে দিয়েছেন অনেক নারীর সংসারে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে এখনো অশান্তির আগুন জ্বলছে। ওইসব ইজ্জত খোয়ানো নারীদের নাম প্রকাশে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরী বলে মনে করেছেন আটক হামিদ হোসেনের আপন সহোদর ছোট ভাই নবী হোসেন।তিনি জানান,হামিদ নারী ভোগে লাখ-লাখ টাকা বিনিয়োগ করে থাকে।স্থানীয় একেক নারীকে দালান বাড়ি,ভিটি জমি কিনে দিয়ে বছরের পর বছর নারী ভোগে লিপ্ত থাকেন।টাকার জোরে ঢাকা,চট্রগ্রাম, কক্সবাজারে নিয়ে যান নারীদের।নিজের দালান বাড়িতে নিয়ে সংসারী নারীদের দেহভোগ করেন।ঘুমধুমের বহু নারীর সংসারে অশান্তির বীজ বপন করে দিয়েছে,এই সেই নারী লিপ্সু প্রবাসী হামিদ হোসেন। বিস্তারিত আগামী কিস্তিতে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না