মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

অকৃতজ্ঞ রোহিঙ্গারা

এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী::

এই অকৃতজ্ঞ রোহিঙ্গা নামক জন্তুদের আশ্রয় দিয়ে NGO নামক অর্থ লোভিদের জন্য আজ উখিয়-টেকনাফ ক্ষত বিক্ষত।
মরন নেশা ইয়াবার কারনে আজ ছাত্র/ছাত্রীদের পড়া লেখা সহ সংসারে প্রতিনিয়ত কলহ সৃস্টি হচ্ছে।
এমতাবস্হায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মরন নেশা ইয়াবা নিধনে আইন প্রয়োগ কারী সংস্হা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠুর নির্দেশ প্রদান করেছেন টিক তখনই মায়ানমারের অবৈধ সরকার নিরহ মুসলিম জন গুষ্টির উপর বর্বর হামলা শুরু করে মায়ানমারের আরকান রাজ্যের দুষ্ট ইয়াবার জনকদের পাটাইয়াদের বাংলাদেশ নামক সান্তির প্রতিক রাষ্ট্রে।
তখন মানবতার কারনে সে রোহিঙ্গাদের কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের উখিয়া-টেকনাফের স্হানিয় জন সাধারনের সমাজিক অংশীদারিত্ব বনায়নের গাছ কেটে রোহিঙ্গাদের জন্য অস্হায়ী ক্যাম্প নির্মান করে রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যাবস্হা করেছে। এ রোহিঙ্গাদের মধ্যে দেখা যায় বেশীর ভাগ রোহিঙ্গা অকৃতজ্ঞ তাদের মত অকৃতজ্ঞ আল্লাহর ১৮ হাজার মকলুকাতের মধ্যে এই ধরনের অকৃতজ্ঞ জাতি আর পয়দা করন নাই বলে আমার দৃড় বিশ্বাস। বর্তমানে ঐ সব অকৃতজ্ঞ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের আগামী প্রজন্ম ধ্বংশ করার কু-মানষে মায়ানমার হতে ইয়াবা নামক মরন নেশা আমদানী করে সিমান্ত সংলগ্ন এলাকার অশিক্ষিত নিরহ মানুষকে অর্থের লোভ দেখাইয়া ঐ সব মরন নেশা ইয়াবা বহন করাইয়া রোহিঙ্গাদের আস্তানা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়াযায়। এখানে বলা বাহুল্য আমরা ও ৭০ দশকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে শরনার্থী হয়েছিলাম। তখন কিন্তু আমাদের ময় মুরব্বীরা পাকিস্তান নামক পূর্ব পাকিস্তানের পর্ন বর্জন করত কিন্তু অকৃতজ্ঞ রোহিঙ্গা জাতি এখনো মায়ানমারের পর্ন ব্যাবহার ছাড়া বাংলাদেশের পর্ন ব্যাবহার করেনা।
এই রোহিঙ্গাদের কাছে বর্তমানে একাধিক মোবাইল সিম।মায়ানরের মোবাইল সিম ও ব্যাবহার করে রোহিঙ্গারা মায়ানমারের মোবাইল সিম থাইংখালী বালুখালীর বিভিন্ন যায়গায় ব্যাবহার করতে পারে। তারা বাংলাদেশের গোপনিয় তত্য বিদেশে পাচার করতে পারে সব কিছু বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদেরকে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব না হলে অকৃতজ্ঞ রোহিঙ্গাদের অবাদ বিচরন বন্ধ কেরতে হবে। অন্যতাই এই রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের বড় মাপের মাশুল সরুপ আমাদের জন্মস্হান ত্যাগ করতে হবে। এখনো সময় আছে NGOদেওয়া বৈদেশীক ভিক্ষা বর্জন করুন। স্ব-দেশের প্রতি মায়া রাখুন।অনেকে বলে থাকে NGO নামক অর্থ লোভিরা মানবতার সেবা দিতে আসছে।আমি বলি না তারা তাদের ব্যাবসার সফলতার জন্য এসেছে।মানবতা দেখাইয়াছি আমরা ১সাপ্তাহ যাবৎ নিজে না খেয়ে রোহিঙ্গা নামক অকৃতজ্ঞ জাতির খাবার দিয়েছি।
১সাপ্তাহ পর সরকারী বিভিন্ন বিভাগের কর্ম কর্তা কর্মচারীদের আগমন।সর্ব শেষ ১মাস পর সুজুগ বুঝে NGOরা তাদের ব্যাবসার লাভের জন্য রোহিঙ্গা সেবার নামে আগমন করেছে। এ NGO নামক অর্থলোভি ও রোহিঙ্গা নামক অকৃতজ্ঞ জাতিদেরকে বাংলার জমিন থেকে বিতাড়িত করুন।না হয় আগামী প্রজন্ম অনেক বিপদগামী হবে।

লেখক -এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী,
চেয়ারম্যান,পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ। লিখাটি লেখকের ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না