সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

দাতা সংস্থা রোহিঙ্গাদের ধারালো অস্ত্র দিচ্ছে

এম,গফুর উদ্দিন চৌধুরী::

আমি একজন নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান হয়েও লিখতে বাধ্য হলাম।

বিশ্বের কোন দেশে বৈদেশিক আশ্রায়িত নাগরিক এভাবে বেপরোয়া চলাফেরা করতে পারে ? আমাদের স্হানীয় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী কেউ দুই হাজার টাকার পুঁজিতে পানের দোকান করলে তার থেকে ট্যাক্স দিতে হয়। বাড়ীর ট্যাক্স দিতে হয়। কিন্তু রোহিঙ্গারা বিনা ট্যাক্সে কোটি টাকার ব্যাবসা করে যাচ্ছে।রোহিঙ্গাদেরকে দাতা সংস্হা ব্যাবসা করার জন্য কোটি টাকা বিনা সুধে লোন দিচ্ছে। যাতে রোহিঙ্গারা এ দেশে তাদের অবস্হান শক্ত হয়। দাতা সংস্হা রোহিঙ্গাদেরকে ব্যাবহারিক দ্বারালো অস্ত্র দিচ্ছে। সে অস্ত্র দিয়ে যে কোন মুহুর্তে আমরা যারা স্হানীয় জনতা আছি আমাদের উপর ঐ সব অস্ত্র ব্যাবহার করতে পারে। বলা বাহুল্য উচ্চ সম্পর্ন জ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গার সুরে বলে যাচ্ছে রোহিঙ্গা আসাতে স্হানিয়দের লাভ হয়েছে কিন্তু না শুধু মাত্র লাভ হয়েছে কিছু দালাল শ্রেণীর এবং NGO নামক দেশ দ্রুহী অর্থলোভী কুচক্রী মহলের।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ঘোষনা করেছেন রোহিঙ্গাদের জন্য আসা বৈদেশিক অর্থ রোহিঙ্গাদের জন্য ৭০%স্হানিয়দের জন্য ৩০% এতে দেখাযায় উখিয়া উপজেলায় আমরা স্হানিয় জনগন দুই লক্ষ আর রোহিঙ্গা প্রায় নয় লাখ সে হিসাবে স্হানিয়রা পায় প্রতি জন পনর টাকা আর রোহিঙ্গারা পায় আট টাকা এরপরও কেন রোহিঙ্গার প্রতিটি বাড়ীতে এলপিজি গ্যাস,সৌরবিদ্যুৎ,রমজানের আগের দিন প্রতিটি বাড়ীতে ইফতারী,বড়দিনে মাংস সহ নৃত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।স্হানিয়রা কি পেল ?আগে কিছু ইফতারী ও কিছু খেজুর পেলে ও এই বারের রমজানে এসবের থেকে সম্পুর্ন ভাবে বন্ঞিত পালংখালী ইউনিয়ন বাসী। মানুষের নৃত্যদিনের খাদ্যহিসাবে চাউল দিলেও তা সটিক ভাবে বিতরন করা সম্ভব হচ্ছেনা। কারন NGOরা কিছু দিলেও কারো সাথে সমন্বয় না করার কারনে বন্টন কারী ব্যাক্তিদের স্বজন প্রীত ও অনিয়মের জন্য একজনে কয়েক বার পেলেও আসল হত দরিদ্ররা বাদ যাচ্ছে। এমন ও NGOআছে চুরিকরে চুপি চুপি ত্রান দিয়ে যায়।তাছাড়া ও এস কে বি ইফসা নামক দুই NGO ব্যাংকের মাধ্যমে এবং মোবাইল সিমের মাধ্যমে ক্যাশ ফরওয়ার্ক নামে টাকা দিচ্ছে এতে দেখাযায় N G O কর্মীদের আত্বিয় স্বজন ভিন্ন জেলার ভিন্ন উপজেলার ভিন্ন ইউনিয়নের লোকেরা প্রধান্য পেয়েছে। এর মোল কারন হচ্ছে সমন্বয়ের অভাব এব্যাপারে প্রশাসন কোন ব্যাবস্হা নিচ্ছেনা। পরি শেষে বলব রোহিঙ্গা ক্যাম্প সরকার পরিচালিত না হয়ে এভাবে NGOপরিচালিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থাকলে এ দেশ একদিন জঙ্গীরাষ্ট্রে পরিনত হবে।যারা আজ ত্রান দিয়ে সাহায্য করছে তারাই এদেশকে জঙ্গীরাষ্ট্র বানাবে। এটা আমার দৃড় বিশ্বাস।এখনো সময় আছে রোহিঙ্গাদেরকে নিয়ন্ত্রন করুন NGOদের বিতাড়িত করুন।

লেখক-চেয়ারম্যান,পালংখালী ইউনিয়ন,উখিয়া।
লিখাটি লেখকের ফেইসবুক আইডি থেকে নেওয়া।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না