সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ০১:৫৩ অপরাহ্ন

ব্যক্তি অপরাধে রোহিঙ্গাদের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে

সিএন প্রতিবেদক।।

উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নারী কর্তৃক পুলিশের উপর হামলা, ভুল বুঝাবুঝির কারনে জার্মান সাংবাদিকের উপর হামলা কিংবা মালয়েশিয়ায় আশ্রিত বখাটে যুবক কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি খ্যাত শেখ হাসিনাকে হুমকি দেয়ার ঘটনাগুলোর কারনে দিন দিন রোহিঙ্গাদের প্রতি স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে। আর এসব ব্যক্তিগত অপরাধে ম্লান হচ্ছে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির মান। বিশেষ করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার কারনে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় মানুষের। তবে বিষয়টি রোহিঙ্গা নেতারা ব্যক্তির অপরাধ বলে দাবী করে জানান, বর্তমানে সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ১১লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নারী,পুরুষ,শিশুর প্রাণ বাঁচিয়েছে। যাহা বিশে^ এমন দৃষ্টান্ত বিরল।
কুতুপালং ক্যাম্পের এক রোহিঙ্গা নেতা জানান, বর্তমান সরকার শেখ হাসিনাে একজন মানবতার নেত্রী বললে চলে। যিনি আশ্রয় না দিলে আমাদেরকে নাফ নদীতে লাফ দিয়ে মরতে হত অথবা মিয়ানমার সেনা,বিজিপির হাতে প্রাণ দিতে হত। এছাড়াও বাংলাদেশে আমরা অনেক সুখে এবং শান্তিতে রয়েছি। প্রয়োজন মত ত্রাণ থেকে শুরু করে সার্বিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে এই সরকার। কোন রোহিঙ্গা যদি বাংলাদেশ সরকারের বিপক্ষে কথা বলে তাহলে তা কখনো অন্যান্য রোহিঙ্গা মেনে নেবেনা। কারণ এটি তার একান্ত মন্তব্য হতে পারে। আব্দুল খালেক নামের এক যুবক মালয়েশিয়া থেকে ফেইচবুকে প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই রোহিঙ্গা নেতা জানান এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত। এর সাথে এখানকার রোহিঙ্গাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তার আরো ৬ভাই উখিয়ার তাজনিমারখোলা, বালুখালী-১ এবং বালুখালী ২ এ বসবাস করে আসছে বলে ওই রোহিঙ্গা নেতা জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের ব্যক্তির অপরাধকে আইনানুযায়ী শাস্তির আওতায় আনলে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি অপরাধের দায় থেকে মুক্তি পাবে। এতে করে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহাবস্থানে সম্প্রীতি বৃদ্ধি পাবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফিরিয়ে নিতে বার্মাকে চাপ প্রয়োগও অব্যাহত রাখবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক জনপ্রনিধি বলেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে শিক্ষা বঞ্চিত ছিল। ফলে তাদের (রোহিঙ্গা) জনগোষ্ঠির সিংহভাগ লোক উগ্র মেজাজি। তারা চিন্তা করে চলেনা। তাই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সহজেই লীপ্ত হতে দেখা যায় রোহিঙ্গাদের। তিনি আরো বলেন, তবে এসব অপরাধ ব্যক্তি পর্যায়ের অপরাধ। এতে সব রোহিঙ্গাদের খারাপ চোঁখের দেখা সুযোগ নেই।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com