রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৫২ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টে চার স্তরের সিন্ডিকেট

সমকাল ◑

চট্টগ্রামের সীতাকুের জঙ্গল লতিফপুর এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট পেতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করেছিলেন মো. ফয়সাল। তার সঙ্গে জমা দিয়েছিলেন অনলাইন জন্মনিবন্ধন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তার সনদও। কিন্তু আঙুলের ছাপ দিতে গেলে জানা যায় তিনি রোহিঙ্গা। গত আগস্টে ফয়সাল ধরা পড়লেও নোয়াখালীতে ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ মুছা ও মো. আজিজ। অবশ্য গত সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম থেকেই ধরা পড়েন তারা।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য এবং পাসপোর্ট করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়া রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের হাতে অবৈধ পাসপোর্ট তুলে দিতে চার স্তরে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এতে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে মাঠপর্যায়ের দালালচক্র। দ্বিতীয় পর্যায়ে কাজ করছে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি ও আদম পাচার চক্রের সদস্যরা। তৃতীয় পর্যায়ে কাজ করছে বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের জন্মনিবন্ধন সংগ্রহে একটি চক্র। এ চক্রের বড় সহযোগী নির্বাচন কমিশনের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট বিভাগের এক শ্রেণির কর্মী। সিন্ডিকেটের শেষ ধাপে রয়েছেন পাসপোর্ট অফিসের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। পুরো চক্রটিকে সহায়তা করে থাকেন পাসপোর্ট আবেদনপত্র তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিশেষ শাখার অসাধু তদন্ত কর্মকর্তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের সিন্ডিকেটের বিভিন্ন সদস্য চিহ্নিত হয়ে ধরাও পড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে। শেষ ধাপে থাকা পাসপোর্ট অফিসের জড়িত কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা চিহ্নিত হননি এখনও। গত ১১ নভেম্বর রাজধানীর বাসাবো ও মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব সদস্যরা ট্রাভেল এজেন্সির দুই মালিককে গ্রেপ্তারের পর পাসপোর্ট অফিসের গ্রুপটি সম্পর্কে কিছু তথ্য পেয়েছে।

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনের মধ্যে একজন আজিজিয়া ট্রাভেলসের মালিক আতিকুর রহমান। এ আতিকই মাসে অন্তত দেড়শ’ পাসপোর্ট আবেদনপত্র পাঠাতেন পাসপোর্ট অফিসগুলোতে। যার বেশিরভাগই রোহিঙ্গা। পাসপোর্ট অফিসের অবৈধ চক্রটি যাচাই-বাছাই ছাড়াই টাকার বিনিময়ে তার পাঠানো আবেদনের বিপরীতে পাসপোর্ট ইস্যু করে থাকে।

আতিককে গ্রেপ্তার অভিযানে থাকা র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, আতিকের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ায়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দালালচক্র রয়েছে তার। ওই চক্রের মাধ্যমে আতিক পাসপোর্ট করতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের তালিকা সংগ্রহ করেন। পরে সেই তালিকা অনুযায়ী ভুয়া ঠিকানায় জন্মসনদ তৈরি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাসপোর্ট তৈরি করাতেন তিনি। অভিযানের সময়ে তার অফিস থেকে ৭২৩টি জন্মসনদ ও ২১২টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সময়ে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরির সঙ্গে জড়িত দালাল, ভুয়া জন্মসনদ তৈরির সঙ্গে জড়িত চক্র ও ট্রাভেল এজেন্সির চক্র ধরা পড়েছে। তবে আতিক পাসপোর্ট অফিসের কোন কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমে পাসপোর্ট পেতেন তা যাচাই করা হচ্ছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অসাধু চক্রটিকেও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

পুরো বিষয়টি নিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও অন্তত তিনজন পরিচালকের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তবে কেউই নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে চাননি। তাদেরই একজন বলেছেন, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রতিবেদন ইতিবাচক হলেই একজন ব্যক্তিকে কেবল পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। আবেদনকারী অপরাধী কি-না বা বাংলাদেশের নাগরিক কি-না- তা যাচাইয়ের মতো সক্ষমতা ডিআইপির নেই। সেটা এসবি করে থাকে। এরপরও ডিআইপি কারও গাফিলতি পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।

পরিচালক মর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেছেন, ক্যাম্পগুলোতে থাকা রোহিঙ্গাদের আঙুলের ছাপসহ ডাটাবেজ ডিআইপির সার্ভারে রয়েছে। কোনো রোহিঙ্গা পাসপোর্টের আবেদন করলে ধরা পড়ে যাবে। কিন্তু জন্মসনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র, জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পাসপোর্টের আবেদন করছে রোহিঙ্গারা। এতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে বিভ্রান্তিতেই পড়ে যাচ্ছেন।

ডিআইপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, কেবল তাদেরই ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। তাই এর আগে আসা রোহিঙ্গারা পাসপোর্টের আবেদন করলেও তাদের প্রযুক্তিগতভাবে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে তারা সন্দেহ করে, জিজ্ঞাসাবাদ করে শনাক্ত করে থাকেন। নতুন ডাটাবেজও ঠিকঠাকভাবে কাজ করছে না। এমনও দেখা গেছে, রোহিঙ্গা শনাক্তের পর তার আঙুলের ছাপ নেওয়া হলেও সেই ছাপ মিলে যাচ্ছে বাংলাদেশি কারও সঙ্গে।

রোহিঙ্গারা পরিচয় গোপন করে পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি আবেদন করে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন পাসপোর্ট অফিসে। এসব অফিসে ধরাও পড়ে বেশি। বিষয়টি জানতে চট্টগ্রামের বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাইদের সরকারি মোবাইল নম্বরে গত ১৭ ও ১৮ নভেম্বর কয়েক দফা যোগাযোগ করা হয়। মোবাইল ফোনে মেসেজও দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ওই নম্বরের ফোনটি ধরেননি। মেসেজেরও কোনো উত্তর দেননি।

এদিকে রোহিঙ্গাদের আবেদন তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে এসবি সদর দপ্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার (পাসপোর্ট) ফরিদা ইয়াসমিন সমকালকে বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে পাসপোর্ট না পায় সে জন্য সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত করা হয়। মাঠপর্যায়ের তদন্ত কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এসবির এই কর্মকর্তা বলেন, রোহিঙ্গারা জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং জনপ্রতিনিধির সনদ পর্যন্ত আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিয়ে থাকে। আবেদনকারী কথাও বলে স্থানীয় ভাষায়। জনপ্রতিনিধি এবং স্বজনরাও সাক্ষ্য দেন বাংলাদেশি হিসেবে। তখন তদন্ত কর্মকর্তা কিছুটা বিভ্রান্ত হতে পারেন। তবে কেউ ইচ্ছে করে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সুপারিশ করলে বা তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্নিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।

ক্যাম্পে সক্রিয় দালালচক্র :আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, সাধারণত পুরোনো রোহিঙ্গারাই নিজেদের পরিচয় গোপন করে পাসপোর্ট করে থাকে। তবে মিয়ানমারের নির্যাতনের মুখে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে আসা রোহিঙ্গাদের অনেক স্বজন আগে থেকেই সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। ওইসব স্বজন টেকনাফ ও উখিয়ায় আশ্রয় ক্যাম্পে থাকা নতুন রোহিঙ্গাদের কারও কারও বিদেশ নিতে পাসপোর্ট তৈরির চেষ্টা করে থাকে। এই সুযোগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাসপোর্ট তৈরির দালালচক্র গড়ে উঠেছে। মূলত বিভিন্ন আদম দালালদের হয়ে তারা ক্যাম্পগুলোতে পাসপোর্ট তৈরিতে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের খুঁজে বের করে থাকে। ক্যাম্পকেন্দ্রিক দালালরা বিদেশ যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের সন্ধান পেলে তাদের আদম ব্যবসায়ী বা ট্রাভেল এজেন্সির হাতে তুলে দেয়। এরপর এসব ট্রাভেল এজেন্সিই পাসপোর্ট তৈরির অন্য আয়োজন সম্পন্ন করে থাকে।

দ্বিতীয় ধাপে সক্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি বা আদম দালালচক্র :পাসপোর্ট অফিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, স্থানীয় দালালরা পাসপোর্টপ্রত্যাশী রোহিঙ্গাদের খুঁজে বের করে ট্রাভেল এজেন্সি বা আদম ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেয়। এসব এজেন্সি একজন রোহিঙ্গাকে দীর্ঘদিন রেখে বাংলাদেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা শিক্ষা দেয়। এরপর তাদের উপযোগী করে ভুয়া জন্মসনদ, বাংলাদেশি জাতীয়তার সনদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ তৈরি করে। পরে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোই নির্ধারিত জেলা পাসপোর্ট অফিসে সিন্ডিকেটে থাকা পাসপোর্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কাছে আবেদনপত্রসহ ওই রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে থাকে।

ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা সমকালকে জানিয়েছেন, পাসপোর্টের আবেদনপত্র জমা দিতে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝেমধ্যে সন্দেহবশত ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা। কিন্তু তারা কার মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিস পর্যন্ত পৌঁছায় সে তথ্যও গোপন করার চেষ্টা করে।

তৃতীয় ধাপে জাল সনদ তৈরি চক্র :পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, পাসপোর্ট পেতে আবেদনের সঙ্গে জন্মসনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের যে কোনো একটির সত্যায়িত কপি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এর মধ্যে জন্মসনদ তৈরি করা সহজ। তাই রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ঠেকাতে কক্সবাজারসহ বিশেষ কয়েকটি জেলায় জন্মসনদ নিষিদ্ধ করে কেবল জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপরও দেখা গেছে, ভুয়া ঠিকানায় জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে পাসপোর্টের আবেদন করছে রোহিঙ্গারা।

ওই কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের সূত্রে ধরে জানা যায়, ২০১৪ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসার পর রমজান বিবি নামের এক নারী আশ্রয় নিয়েছিলেন টেকনাফের মুচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। চলতি বছর ওই নারী নিজের নাম লাকি, হাটহাজারী উপজেলার মীর্জাপুর ইউনিয়নের ওবায়দুল্লাহ নগরের ঠিকানায় পাসপোর্টের আবেদন করতে জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করেন। সেই তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারেও যুক্ত হয়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে বেরিয়ে আসে, খোদ নির্বাচন কমিশনের একটি অসাধু চক্র ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে তা সার্ভারেও ঢুকিয়ে দিচ্ছে। ওই ঘটনায় চট্টগ্রামের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট নির্বাচন কমিশনের এক কর্মী ও চট্টগ্রাম নির্বাচনী অফিসের কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করে।

শুধু তাই নয়, এর বাইরে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নামেও সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোহিঙ্গাদের নামে জন্মসনদ তৈরি করে সার্ভারে দিয়ে দিচ্ছে। গত আগস্টে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেওয়া রোহিঙ্গা ফয়সাল যে জন্মসনদ জমা দিয়েছেন, সেটিও অনলাইনে যাচাই করে ডাটাবেজে পান পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

পাসপোর্ট অফিসের সিন্ডিকেটে কারা :ঢাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাভেল এজেন্সির মালিক আতিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের মামলার তদন্ত-সংশ্নিষ্ট র‌্যাবের সূত্র বলেছে, আতিককে গ্রেপ্তারের আগে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরি চক্রের ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এসব ঘটনায় দায়ের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে, চক্রের মাধ্যমে ভুয়া ঠিকানায় জন্মসনদ তৈরি করে সিন্ডিকেটের নির্ধারিত জেলার পাসপোর্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কাছেই তা পাঠানো হয়। ওই চক্রটির বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিতও করা হয়েছে। তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে যাচাই ছাড়াই পাসপোর্ট তৈরি করে থাকে।

পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, রোহিঙ্গা ডাটাবেজ যাচাইয়ে প্রতিটি পাসপোর্ট অফিসে সার্ভার রয়েছে। কোনো অসাধু কর্মকর্তা বা কর্মচারী সেটি সঠিকভাবে না করলেও অনায়াসেই রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেতে পারে।

এদিকে র‌্যাব-২ এর কর্মকর্তা মহিউদ্দিন ফারুকী বলেছেন, পুরো ঘটনাটি তারা তদন্ত করছেন। পাসপোর্ট অফিসের অসাধু একটি চক্রেরও সন্ধান পেয়েছেন। যাচাই-বাছাই চলছে বিষয়টি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করা চলবে না