রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

“আমাদের গর্ব”

ad

আনিকা রহমান।।

মোহাম্মদ শফিউল আলম: মোহাম্মদ শফিউল আলম ১৯৫৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখা পালং গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম ছৈয়দ হোসাইন ও মাতা আলমাছ খাতুন। তিনি পালং মডেল হাই স্কুল থেকে ১৯৭৫ সালে এসএসসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা থেকে ১৯৭৭ সালে এইচএসসি, চট্টগ্রাম ওমর গণি এমইএস কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে বিএ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮১ সালে ইংরেজী বিষয়ে এমএ, চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু ‘ল’ টেম্পল থেকে ১৯৯০ সালে এলএলবি এবং বৃটেনের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে উন্নয়ন প্রশাসন (ডেভেলপমেন্ট এডমিনিসট্রেশন) বিষয়ে প্রথম বিভাগে এমএসএস ডিগ্রী অর্জন করেন।

১৯৮২ সালে অনুষ্ঠিত ১ম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৮৩ সালে ২৭ অক্টোবর তিনি সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করেন। সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমী (কোটা) থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৮৪ সালে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। পরে তাঁকে ঢাকায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বদলী করা হয়। তিনি সেখানে চার মাস কর্মরত থাকার পর পদোন্নতি পেয়ে রাজধানী ঢাকার শাহবাগস্থ বিসিএস প্রশাসন একাডেমীতে উপ-পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। বিসিএস প্রশাসন একাডেমী থেকে ১৯৯২ সালে বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য যুক্তরাজ্য গমন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৯৪ সালে ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার থানা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সাত মাস পরেই তাঁকে ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৯৭ সালে তাঁকে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০০ সালে তাঁকে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয় এবং ২০০১ সালে উপ-সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান এবং মাগুরা জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি হন। ২০০৩ সালে তাঁকে মাগুরা থেকে ময়মনসিংহ জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে ২০০৪ সালের ১৯ জুলাই তাঁকে সাভারের বিপিএটিসিতে বদলি করা হয়। ২০০৬ সালে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলে তাঁকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৭ সালে তাঁকে রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৮ সালে আবার তাঁকে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন সংস্থার (বিএফআইডিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৮ সালে তাঁকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। পরে ২০০৯ সালের ৪ মার্চ তাঁকে রাষ্ট্রপতির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে তিনি সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে রাষ্ট্রপতির সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তিনি ভারত, যুক্তরাজ্য, ফিলিপাইন, জাপান, তুরস্ক, দুবাই, সৌদি আরব, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন। উচ্চতর প্রশিক্ষণ, সরকারি কাজ, সেমিনারে অংশ গ্রহণ এবং শিক্ষা সফরের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করেন।

তিনি মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও ফার্সি, ইংরেজী, উর্দু, হিন্দি ও আরবী ভাষায় কথা বলতে, পড়তে ও লিখতে পারেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ এবং জার্নালের মধ্যে রয়েছে ১. বিধি সহায়িকা, ২. ম্যাজিষ্ট্রেট সহচর, ৩. জার্নাল বিজেএডি, ৪. হ্যাণ্ডবুক ফর ম্যাজিষ্ট্রেট, ৫. প্রবেশন নির্দেশিকা ও ৬. এবহফবৎ ধহফ জবঢ়ৎড়ফঁপঃরাব ঐবধষঃয. অন্যতম।

(আনিকা রহমানের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া)

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 CoxBDNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com